সংবাদ শিরোনাম

ব্রেকিং নিউজ

এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত, পাসের হার ৬৯.৬০ শতাংশ,,,, বরিশালে পাসের হার ৭০.০৬ শতাংশ

সময়

লক্ষ্য যাদের এসিসিএ

সিসিএ হচ্ছে অ্যাসোসিয়েশন অব চার্টার্ড সার্টিফায়েড অ্যাকাউন্ট্যান্টস-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। হিসাবরক্ষণবিষয়ক একটি পেশাগত ডিগ্রি হচ্ছে এসিসিএ, যা সারা বিশ্বের হিসাবরক্ষণ বা আর্থিক বিশ্লেষণসংক্রান্ত চাকরির বাজারে সমাদৃত। একজন শিক্ষার্থী যে বিষয়েই স্নাতক হোন না কেন, যাঁরা অর্থায়ন বা হিসাব বিভাগে ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাঁদের জন্যই এসিসিএ। বর্তমানে বিশ্বের শতাধিক দেশে এসিসিএ ডিগ্রি চালু রয়েছে। বাংলাদেশের লিয়াজোঁ অফিসের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী ঘরে বসেই অর্জন করতে পারেন এ সনদ।
একজন শিক্ষার্থীর কেন এ ডিগ্রিটি নেওয়া প্রয়োজন বা ক্যারিয়ার গড়তে কতটা সহায়ক, এ বিষয়ে জানতে চেয়েছিলাম এসিসিএ বাংলাদেশপ্রধান মহুয়া রশীদের কাছে। তিনি জানান, ‘বাংলাদেশে শুধু নয়, একজন শিক্ষার্থীর সারা বিশ্বে আ্যকাউন্ট্যান্সি পেশায় যে দক্ষতা প্রয়োজন, সেটা অর্জনে আমরা সহায়তা করে থাকি। পেশাদার হিসাবরক্ষকের মতো একজন এসিসিএ ডিগ্রিধারীর কাজের ক্ষেত্রও অবারিত। তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও বহুজাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যেমন অডিট ও কর বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করতে পারেন, তেমনি অর্থায়ন বিশেষজ্ঞ, এসএমইর পরামর্শক ও ব্যবসার শুরু বা যাকে আজকাল আমরা স্টার্টআপ বলি, সে ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারেন।’
দুইভাবে এ ডিগ্রিটি নেওয়ার সুযোগ আছে। চাকরির পাশাপাশি নিজে ঘরে বসে অথবা এসিসিএ বাংলাদেশ অফিস থেকে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি হয়ে।
যোগ্যতা
যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী একজন শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারেন এসিসিএ ভর্তির জন্য। তবে বিবিএ ও এমবিএ করে যাঁরা ভর্তি হবেন, তাঁদের জন্য কয়েকটি কোর্স করতে হয় না। এ ছাড়া এ লেভেল বা এইচএসসি পাস করেও এসিসিএতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমা করে নিতে হবে। ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমাটি এসিসিএর প্রাথমিক ধাপ। যেখানে সাতটি কম্পিউটারভিত্তিক পরীক্ষায় পাস করে এসিসিএ শুরু করা যায়।

যেখানে ভর্তি হবেন
বছরের যেকোনো সময় এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। এসিসিএ বাংলাদেশ অনুমোদিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়।

সময়
এসিসিএ কোর্সে ১৪টি বিষয় আছে, কিন্তু একজন প্রার্থীকে সব কটি বিষয় পড়তে হয় না। ১৪টি বিষয়ের মধ্য থেকে শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম পাঁচটি বিষয়ের পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হয়। একজন শিক্ষার্থী নয়টি পর্যন্ত কোর্স থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন। সেটা আবার নির্ভর করে তাঁর অতীতের পড়াশোনার ওপর এবং এসিসির সঙ্গে সেই পড়াশোনার প্রাসঙ্গিকতার ওপর।

কেউ যদি ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমা শেষ করে এসিসিএ পড়তে চান, তাহলে তাঁর ছয় মাস কম সময় লাগবে। কারণ, ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমাধারীদের জন্য এসিসিএর প্রথম তিনটা বিষয় পড়তে হয় না। শুধু এসিসিএ শেষ করতে সময় লাগবে তিন থেকে সাড়ে তিন বছর।

পরীক্ষাপদ্ধতি
দুটি পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিতে পারেন এখানে। হলে বসে খাতায় লেখা ছাড়াও কম্পিউটারের মাধ্যমে অনলাইনে পরীক্ষা দেওয়া যাবে। খাতায় পরীক্ষা পরিচালনা করে থাকে ব্রিটিশ কাউন্সিল। এ ছাড়া অনলাইনে পরীক্ষা দিতে হয় ব্রিটিশ কাউন্সিল, এলসিবিএস ঢাকা ও চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজে।

পরীক্ষায় বসার আগে
বাসায় বসে নিজে নিজেই পড়াশোনা শুরু করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে বিগত বছরগুলোর প্রশ্ন ও পাঠ্যক্রম সংগ্রহ করতে পারেন এসিসিএর ওয়েবসাইট থেকে।

যোগাযোগ
গুলশান ভবন (তৃতীয় তলা) বীর উত্তম এ কে খন্দকার সড়ক, গুলশান, ঢাকা। ফোন: ০১৯১৩০৬০৭৪৫, ০১১৯৯২৫৫৫৫৫, এ ছাড়া বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারেন এসিসিএ ওয়েবসাইট: www.accaglobal.com থেকেও।